Sunday, October 30, 2016

নরেন্দ্র মোদী ক’দিন ছুটি নিয়েছেন? প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের কামাইয়ের রেকর্ড কী?


তথ্য জানার অধিকার আইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ছুটির তালিকা চান এক ব্যক্তি। তার প্রেক্ষিতেই রিপোর্ট দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী দফতর।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পরে একদিনের জন্য ছুটি নেননি। আরও স্পষ্ট ভাষায় বলা ভাল যে তিনি একদিনও ছুটি পাননি। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের বক্তব্য— ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রী পূর্ণসময়ের কর্মী। তাঁর কোনও ছুটি হয় না।
তথ্য জানার অধিকার আইনে এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী দফতরের কাছে এবং মন্ত্রিসভার সচিবালয়ের কাছে আলাদা আলাদা করে জানতে চায়, ভারতে প্রধানমন্ত্রীর ছুটি নেওয়ার নিয়ম কী? তারই জবাবে, প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে সব সময়ে ‘অন-ডিউটি’ বলা যায়। ওই আবেদনকারী আরও জানতে চেয়েছিলেন যে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ, অটলবিহারী বাজপেয়ী, এইচ ডি দেবগৌড়া, আই কে গুজরাল, পি ভি নরসিংহ রাও, চন্দ্রশেখর, ভি পি সিংহ এবং রাজীব গাঁধীরা কি কোনও ছুটি নিয়েছেন? তার কি কোনও রেকর্ড রয়েছে? 
তারই জবাবে বলা হয়েছে, ‘প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীরা কে কতদিন ছুটি নিয়েছেন তার কোনও রেকর্ড রাখা নেই তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শপথগ্রহণের পরে একটিও ছুটি নেননি।’
ওই আবেদনকারী মন্ত্রিসভার সচিবালয়ে যে আবেদন জানান তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে যায়। আর তার জবাবে স্পষ্টই জানানো হয়েছে যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ছুটি নেওয়ার কোনও রেকর্ড দফতরে রাখা নেই।




২০১৭ সালে অনেক লম্বা লম্বা ছুটি, তালিকা দেখে এখনই বেড়ানোর প্ল্যান করে নিন


নতুন বছর এসেই গেল। কিন্তু সেই বছরটায় ছুটি কবে কবে? শনি-রবিবারের ধাক্কায় কটা ছুটি নষ্ট হচ্ছে? কোন দিন ছুটি নিলে লম্বা অবকাশ?
যে যতই কাজ ভালবাসুন, ছুটির প্রতি ভালবাসা নেই এটা হতেই পারে না। আর বাঙালির তো কথাই নেই। বারো মাসে তেরো পার্বন নিয়ে রসে বসে ছুটি কাটাতে বাঙালি মাত্রই ভালবাসেন। আর সেই ছুটিটা যদি একটু লম্বা হয় তবে তো কথাই নেই। দুম করে কোথাও একটা চলে যাওয়া যায়। কিন্তু ইদানীং দুম করে কোথাও চলে যাওয়াটা সহজ নয়। চাইলেই মেলে না পছন্দের হোটেল, ট্রেনের টিকিট। তাই পরিকল্পনাটা হওয়া উচিত অনেক আগে।
তাই এখন থেকেই দেখে নিন সারা বছর কবে কবে ছুটি আছে। শনি-রবিবারের ধাক্কায় কটা ছুটি নষ্ট হচ্ছে? কোন দিন ছুটি নিলে লম্বা অবকাশ?
২০১৬ সালাটায় ছুটি একটু বেশিই ছিল। বছরের শেষদিনটাও ছুটি পড়েছে। কারণ, ৩১ ডিসেম্বর শনিবার। আর ঠিক তেমনভাবেই নতুন বছরের প্রথম দিনটাই অর্থাৎ বছরের প্রথম ছুটিটাই নষ্ট। ১ জানুয়ারি রবিবার।
এর পরে জানুয়ারি মাসে আর ছুটি নষ্ট নেই। ১২ জানুয়ারি বিবেকানন্দ জয়ন্তী মঙ্গলবার, নেতাজি জয়ন্তী ২৩ জানুয়ারি সোমবার আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস মঙ্গলবার। অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি সোমবার ছুটি নিতে পারলে টানা চারদিনের ছুটি কিন্তু ২৩ থেকে ২৬ ছুটি কাটানোটা একটু চাপের।
ফেব্রুয়ারিতে একটাই ছুটি, সরস্বতী পুজো। ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার। ২০১৬ সালে শিবরাত্রিতে সরকারি ছুটি দিয়েছে রাজ্য। আগামী বছরে আর সেই ছুটিটি পাচ্ছেন না। কারণ, আগামী শিবরাত্রি ২৫ ফেব্রুয়ারি, শনিবার। মার্চেও একটিই ছুটি, দোলযাত্রা, ১২ তারিখ রবিবার। তবে রাজ্যে দোলের পর দিনেও ছুটি থাকে। সেই হিসেবে এই সময়েও তিন দিনের টানা ছুটি। শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসবে যাওয়ার প্ল্যান করতেই পারেন।
এপ্রিলে একটু দুঃখ রয়েছে। দু’টো ছুটি মিলে গিয়েছে। একটা ছুটি নষ্ট। ১৪ এপ্রিল, গুড ফ্রাইডের দিনেই আম্বেদকর জয়ন্তী। তার পরের দিন, শনিবার ১৫ এপ্রিল, পয়লা বৈশাখ। সেই দুঃখ মিটিয়ে দেবে মে দিবসের ছুটি। ১ মে পড়েছে সোমবার। মানে ঠিকঠাক প্ল্যান করলে তিন দিনের ছোট্ট একটা ট্রিপ হতেই পারে।
এর পরে একটা ছুটি নেওয়ার প্ল্যান করুন ৮ মে সোমবার। আগের দু’দিন শনি-রবি ছুটি তো রয়েছেই সেই সঙ্গে পরের দিন ৯ মে পঁচিশে বৈশাখ। ২৬ জুন সোমবারও তিন দিনের ছুটি নিয়ে আসছে ইদুলফিতর। এর পরেই পুজোর ছুটি। আর সেটা যদি মুখ্যমন্ত্রী একটু সদয় হন তবে টানা ১৬ দিনের। হিসেবটা দেখে নিন।
পঞ্জিকা অনুসারে, ২০১৭ সালে দুর্গাপুজো সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে। ১৯ সেপ্টেম্বর মহালয়া, ষষ্ঠী ২৬শে, মঙ্গলবার। রাজ্য সরকারের নিয়ম মতো সেই দিন থেকেই সরকারি অফিসে ছুটি পড়ার কথা। সেই ছুটি চলার কথা ৬ অক্টোবর, শুক্রবার অর্থাৎ লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন পর্যন্ত। এর পরের দু’দিন শনি-রবিবার থাকায় ছুটি হয়ে যাচ্ছে টানা ১৩ দিন।
এবার মুখ্যমন্ত্রী পঞ্চমীর দিন পুজোর ছুটি শুরু করেছেন। ফলে সরকারি কর্মীদের বড় অংশের আশা, আগামী বছরও সেই ছুটি থাকবে। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটি কমিয়ে দেওয়ার মানুষ নন। একবার যে ছুটি শুরু হয়েছে, সেটা আর বন্ধ হবে না। এমন জল্পনা চলছিলই, কিন্তু তা আরও পাকা হল কারণ, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন আগামীবার উৎসব শুরু হবে মহালয়া থেকেই। ২৫ সেপ্টেম্বর পঞ্চমীর দিন পড়েছে সোমবার। তার আগেও আবার রয়েছে শনি ও রবি। সরকারি অফিস বন্ধ। সেই হিসেবে ছুটি হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত। টানা ১৬ দিন!
এটা অনেক লম্বা ছুটি। সুতরাং সেটা প্রাপ্য হলে তো কথাই নেই। তার জন্য যে দু’টি ছুটি নষ্ট হচ্ছে তার জন্য নিশ্চয়ই বাঙালি আক্ষেপ করবেন না। এই লম্বা ছুটির মধ্যেই চলে যাচ্ছে ১ অক্টোবর মহরম এবং ২ অক্টোবর গাঁধী জয়ন্তী। এর পরের ছুটি কালীপুজো ১৮ অক্টোবর বুধবার। ২০১৬ সালে কালীপুজোর বিসর্জনের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে। সেই ছুটি পরের বছরেও দেওয়া হবে কিনা সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। ২০ অক্টোবর শুক্রবার ভাইফোঁটা। তিন দিনের জন্য দিদি বা বোনের বাড়ি যাওয়াই যায়। আর কালীপুজোর পরের দু’দিন দেওয়ালি আর বিসর্জন উপলক্ষ্যে সরকার ছুটি ঘোষণা করলে তো কথাই নেই। ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর টানা পাঁচ দিনের ছুটি-ছুটি-ছুটি।
৪ নভেম্বর গুরু নানকের জন্মদিন শনিবার কিন্তু ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন সোমবার। পিকনিক সারতে এবার একটু দূরের ডেস্টিনেশন বাছাই যায়।

Monday, October 24, 2016

মুসলিম মহিলাদের জীবন নষ্ট হতে দিতে পারি না, তিন তালাককে তুলোধনা প্রধানমন্ত্রীর


এদিকে, তিন তালাক ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মীয় রাজনীতি করার অভিযোগ করেছে কেউ কেউ। সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণতন্ত্রে আলোচনা হওয়া উচিত। সরকার তিন তালাক নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। তিন তালাকের বিষয়টিকে যারা অন্যপথে চালনা করতে চাইছে তারা অসাধু।” প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, “ তিন তালাকের মাধ্যমে দেশের মুসলিম মহিলাদের জীবন নষ্ট হতে দেবে না সরকার।” 

প্রধানমন্ত্রী জানান, সুপ্রিম কোর্টে সরকার স্পষ্ট জানিয়য়েছে, ধর্মের কারণে মহিলাদের উপর কোনও অত্যাচার হওয়া উচিত নয়। একই কারণে মহিলাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণও গ্রহণযোগ্য নয়।

বিষয়টি নিয়ে কিছু রাজনৈতিক দলের অবস্থানেরও সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমি ভেবে অবাক হচ্ছি যে, এই একবিংশ শতকেও মহিলাদের উপর অবিচারের পক্ষে ঝুঁকে রয়েছে কিছু রাজনৈতিক দল। শুধুমাত্র ভোট ব্যাঙ্কের লালসায়। এটা কী ধরনের বিচার?”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিষয়টি নিয়ে যখন টিভিতে বিতর্ক হয়, তখন সেই বিতর্ককে হিন্দু-মুসলমান রং দেবেন না। বিতর্ক হওয়া উচিত মুসলিম সমাজে যাঁরা পরিবর্তন চান সে সব মানুষের সঙ্গে তাঁদের, যাঁরা দেশবাসীকে জানাতে চান না আসল বিষয়টা কী।”

Saturday, October 22, 2016

মোদির প্রতি দেশবাসীর ভালবাসার একটি ছোট্ট উদাহরন |


নবজাতকের বাবা-মায়ের মনোবাঞ্ছা পূরণ করে তার নাম ঠিক করে দিলেন নরেন্দ্র মোদী! এমন সৌভাগ্য হল উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের এক দম্পতির।
এমন একটা অভাবনীয় কিছু হওয়ার স্বপ্নই  দেখেছিলেন তাঁরা। ১৩ আগস্ট কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার দু মাস আগেই মির্জাপুরের ভরত সিংহ, তাঁর স্ত্রী ঠিক করেন, ছেলে-মেয়ে যাই-ই হোক, তার নামকরণ করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। তাঁরা মোদী-সমর্থক, কাজেই এমন ইচ্ছে হওয়ার পিছনে অস্বাভাবিক কিছুই নেই। কন্যাসন্তানের জন্মের দিনই ভরতের স্ত্রী নিজের মনোবাসনা উল্লেখ করে মোদীকে চিঠি লিখে পাঠান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও)। তিনি কন্যাসন্তানদের বাঁচাতে মোদীর অবদানের কথা লেখেন, চিঠিতে অলিম্পিক্সে ভারতের মেয়েদের বিরাট সাফল্যের উল্লেখও করেন। সাতদিনের মাথায়, ২০ আগস্ট বিকালে পিএমও থেকে ফোন পান ভরত। ফোনের ওপারে স্বয়ং মোদী! নিজের কানকেও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি। মেয়ের বাবা হওয়ার জন্য ভরতকে অভিনন্দন, শুভেচ্ছা জানান মোদী। এখানেই শেষ নয়, ভরত ও তাঁর স্তীর নামের সঙ্গে মিলিয়ে তাঁদের মেয়ের নামও ঠিক করে দেন—‘বৈভবী’।
আনন্দে আত্মহারা ভরতের মুখ থেকে পুরো কাহিনি শুনে বিশ্বাসই করতে চাননি গ্রামের কেউ। তাঁকে নিয়ে মজা-মস্করা, ঠাট্টা-বিদ্রূপও চলে। ভরত পিএমও-র সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে জানান, গ্রামবাসীরা কেউ তাঁর কথা সত্যি বলে মানছে না, তাই প্রধানমন্ত্রী যে তাঁর মেয়ের নাম রেখেছেন, সেটা যেন লিখিত ভাবে তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়। ৩০ আগস্ট পিএমও থেকে সত্যিই একটি চিঠি পান ভরত। তাতে লেখা রয়েছে, আপনার ঘর আলো করে এসেছে একটি কন্যাসন্তান। আপনাকে দারুণ অভিনন্দন। আমার শুভেচ্চা রইল, বৈভবীর স্বপ্ন আপনারা পূরণ করুন, আপনাদের শক্তি হয়ে উঠুক ও।
ভরত বলেছেন, মেয়েদের মঙ্গলের কথা যেভাবে প্রধানমন্ত্রী ভাবেন, সেজন্য তাঁকে শ্রদ্ধা করেন তাঁরা। উনি মেয়ের নাম রেখেছেন, জীবনে এটা বিরাট পাওয়া।

Friday, October 21, 2016

ভারতীয় সেনার গুলিতে নিহত ৮ পাক সেনা

জম্মু-কাশ্মীরের কাথুয়া সেক্টরে অনুপ্রবেশ কালে ভারতীয় জওয়ানদের গুলিতে নিহত হল আট পাক রেঞ্জার৷শুক্রবার ভর সন্ধ্যায় একদল পাক সেনা কাশ্মীর সীমানা অতিক্রম করার চেষ্টা করছিল৷ সদা সতর্ক ভারতীয় সেনা জওয়ানরা দেখতে পেয়ে প্রতিরোধ করে৷ভারতীয় জওয়ানদের লক্ষ্য করে পাক সেনারা এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে৷পাল্টা জবাব দিতেই ভারতীয় সেনার গুলিতে আট পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে৷মৃতদের মধ্যে একজন জঙ্গিও আছে বলে জানা গিয়েছে৷
জানা গিয়েছে, কাথুয়া সেক্টরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা টহল দেয়ার সময় পাক জওয়ানদের লক্ষ্য করে৷ তখনই তাদের উপর গুলিবর্ষণ শুরু করেছিল জওয়ানরা৷বিএসএফ সূত্রে খবর, পাক সেনাদের সঙ্গে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরাও৷ভারতীয় জওয়ানদের প্রতিরোধ পেয়েই গুলি শুরু করে তারা৷পাল্টা জবাব দেয় ভারতীয় জওয়ানরাও৷
উরি হামলা ও সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সীমান্তে নিরাপত্তা কঠোর করেছে বিএসএফ৷কিছুদিন আগেই ছয় পাক অনুপ্রবেশকারীকে পাকড়াও করেছিল সেনাএমনকি দু’দিন হল বারামুলা শহরে বাড়ি বাড়ি ঘুরে তল্লাশি চালাচ্ছে বিএসএফ জওয়ানরা ও কাশ্মীর পুলিশ৷তাদের কাছে খবর রয়েছে যে, দুই পাক জঙ্গি অনুপ্রবেশ করে আত্মগোপন করেছে বারামুলায়৷এমনকি সীমান্তে ভারতীয় সেনাকে লক্ষ্য করে টানা ১২৪০ ঘণ্টা গুলি চালাচ্ছে পাক সেনারা৷ তাদের অন্যতম লক্ষ্য হল ভারতীয় জওয়ানদের অন্যত্র ব্যস্ত রেখে জঙ্গি অনুপ্রবেশে সাহায্য করা৷এছাড়া শুক্রবার সকালে পাক সেনার গুলিতে গুরুতর জখম হয়েছেন এক ভারতীয় জওয়ান গুরনাম সিং৷ জানা গিয়েছে, জম্মুর সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে৷

Wednesday, October 19, 2016

তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে জখম বাবুলসহ দুই


বর্ধমান: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্র আসানসোল৷ মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুরে আসানসোলের ভগৎ সিং মোড়ে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়৷ মন্ত্রীর বাড়িতে বিজেপির নেতা-মন্ত্রীদের বিক্ষোভের শুরু হতেই পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়৷ বিজেপির নেতা-কর্মীদের ঘেরাও কর্মসূচির জেরে তৃণমূল-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে৷ তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডবে জখম হন বাবুল সুপ্রিয়৷ বিক্ষোভের মধ্যে থেকে বাবুলকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়৷ ইটের ঘায়ে জখম হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷ একইসঙ্গে স্থানীয় দুই বিজেপি নেতাকে তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে বলেও অভিযোগ ওঠে৷ আসানসোলের বিএনআর মোড়ে বাবুল সুপ্রিয়র গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে৷ পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের তাণ্ডবে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় আসানসোল৷

বুধবার বিজেপি আসানসোলের ভগৎ সিং মোড়ে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়ি ঘেরাও করার কর্মসূচি নেয়। গত মঙ্গলবার আসানসোলে গোরু পাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে ধরে ফেলেন বাবুল সুপ্রিয়। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের জড়িত থাকার অভিযোগে বুধবার মন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি নেওয়া হয়। নেতৃত্ব ছিলেন আসানসোলের সাংসদ তথা মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এদিন মলয় ঘটকের বাড়ি ঘেরাওয়ের খবর পাওয়ার পরই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরাও রাস্তায় নেমে পরেন। বিজেপির অভিযোগ, আসানসোলের বিএনআর মোড়ে বিজেপি নেতা সুব্রত মিশ্রকে ব্যাপক মারধর করা হয়। এরপর আসানসোল পুর-নিগমের মেয়র জিতেন্দ্র তেওয়ারি, চেয়ারম্যান ও ডেপুটি মেয়র সহ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা জড়ো হতে থাকেন। পরে তৃণমূল নেতারা আসানসোলের বিজেপির জেলা সভাপতি তাপস রায়, বিজেপি নেতা প্রশান্ত চক্রবর্তী সহ অন্যান্য নেতাদের বাধা দিতে গেলে ঝামেলা শুরু হয়। সেই সময় তাপস রায়, প্রশান্ত চক্রবর্তীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

Citizenship Bill: West Bengal CM Mamata Banerjee Supports Bhupen Hazarika's Son

West Bengal chief minister Mamata Banerjee on Tuesday came out in support of Assamese singer-composer Bhupen Hazarika's son on the Ci...